উন্নত বিশ্বের বাজেট সংকোচন, উন্নয়নশীল দেশসমূহের এনজিওগুলোর জন্য একটি বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশসমূহ এই সমস্যা সমাধানে খুব বেশী সহযোগিতা করছে তা নয় উপরন্ত তাদের কেউ কেউ এনজিওগুলোর বিশেষকরে মানবাধিকার নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের উপর দমন প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে।
মানবাধিকার বিষয়ে অর্থায়ন নিয়ে চলমান বিতর্কে এখন পর্যন্ত আমরা দেখেছি যে, সাসকিয়া ব্রেছেনম্যাছের ও থমাস ক্যারোথারস আলোকপাত করেছেন কিভাবে এই বাজেট সংকোচনের বিষয়টি সাড়া বিশ্বে একটি সাড়া জাগানো ঘটনায় পরিণত হয়েছে। মেধা পাটেকার এবং লেনিন রাঘুভানশি আলোচনা করেছেন ভারত সরকারের বিদেশী অর্থায়নের প্রতি ভীতির বিষয়টি, টর হ্যাডেনফিল্ড তথ্য দিয়েছেন যে, ইথিওপিয়াতে বিদেশী অর্থায়ন অপরাধে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে ম্যাইনা কিয়াই দেখিয়েছেন কেনিয়া কিভাবে বিদেশী অর্থায়ন এড়িয়ে গেছে।
এমতাবস্থায়, বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা “বিদেশী অনুদান স্বেচ্ছাসেবী কার্যকর আইন ২০১৪” খসড়া অনুমোদন করেছে এবং খুব শীঘ্রই সংসদে পাশ হবে। এনজিওগুলো এই আইনকে কঠোর ও নির্মম বলে আখ্যায়িত করেছে এবং এটি এমন সময়ে অনুমোদিত হলো যখন দেশে ভিন্নমত পোষণের সুযোগ সংকোচিত হয়ে যাচ্ছে।